২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে মৎস ও প্রানিসম্পদ খাতে বাজেট বরাদ্দ মাত্র ৩,৮০৭ কোটি টাকা, ২০২১-২২ অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল ৩,৪৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ বেড়েছে মাত্র ৩৭০ কোটি টাকা! যেহেতু বাজেট প্রস্তাবে মৎস্য নিয়ে এতো প্রসংশা, এই বৃদ্ধির বড় অংশ যাবে মৎস খাতে। প্রানিসম্পদ বরাবরের মতই অবহেলিত থাকবে!
২০০৯-২০১০ থেকে ২০১৯-২০২০ এ মৎস সম্পদের বৃদ্ধি হয়েছে ৫৯.৪০%, প্রসংশায় পঞ্চমূখ অর্থমন্ত্রী। খুশীর খবর!
কিন্তু ২০০৯-১০ থেকে ২০১৯-২০২০ এ ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০০%, এই তথ্য অর্থমন্ত্রী জানেন কি? তাঁকে কি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর? কি দিলেন তিনি এ খাতকে? প্রতিবার বাজেটে তিনি বলেন খাদ্যের দাম কমিয়েছেন, কি কমিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কেউ বুঝে না! তিনি জানেন কি যে বিগত ১ বছরে পোলট্রি খাদ্যের কাঁচামালের দাম বেড়েছে ২০০%+
কৃষিতে ভর্তূকি দিচ্ছেন ১৬,০০০ কোটি টাকা, আবার প্রানিসম্পদ নাকি কৃষির উপখাত, তাহলে প্রানিসম্পদ ভর্তূকী পাবে না কেন, যখন প্রানিসম্পদ বিশেষতঃ পোলট্রি খাত ধুঁকে ধুঁকে মরছে পোলট্রি খাদ্যের আকাশচুম্বী দামে! শুধু কাঁচামালের শুল্কমূক্ত আমদানী আর চটকদারী আয়কর কমিয়ে অথবা শূন্য কর থেকে কর বাড়িয়ে কখনই প্রানিসম্পদ খাত টিকে থাকতে পারবে না, ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে সস্তার উন্নত মানের প্রানীজ আমিষ। দেশবাসীর জন্য শুধু খাদ্য নিরাপত্তা নয়, চাই পুষ্টি নিরাপত্তা!
কৃষির উপখাত নয়, চাই বাজেটে প্রানিসম্পদ খাতের পৃথক উপস্থাপনা।
স্থানীয়ভাবে খামারীর সুরক্ষার নীতিকে বিশ্লেষন না করে পাঁচ তারকা হোটেলে আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারনী সেমিনার করে কোন লাভ নেই। তৃণমূলের খামারীর প্রয়োজনকে নীতি-নির্ধারনী পর্যায়ে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ সংশ্লিষ্ট সকল মহল!
লেখক: প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞ ও
সভাপতি, বাংলাদেশ এনিমেল এগ্রিকালচার সোসাইটি
Impact of Infectious Bronchitis in Poultry Industry and control Strategy
Infectious Bronchitis (IB) is a worldwide problem for poultry producers. It is a highly contagious and economically important disease. There...
Read more